Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প

দেশের দারিদ্রতা দুরিকরণের লক্ষ্যে প্রতিটি গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে ধরে মানব ও অর্থ সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাম সৃজনের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র চিন্তা প্রসুত এই প্রকল্প বর্তমানে প্রতিটি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ৩৬টি গ্রামে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্প সদর দপ্তরের বরাদ্দকৃত অর্থের সমুদয় অথৃ সদর দপ্তর এর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যয় করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় জেলায় এ পর্যন্ত োমট ৫০০ টি পরিবারকে গরু, ১২০টি পরিবারকে টিন, ১৫০টি পরিবারকে হাঁস-মুরগি, ৬০০টি পরিবারকে সবজী বীজ এবং ৪৫০টি পরিবারকে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। জেলায় ১০৮০০ জন সদস্যকে ৪৬২.৯৪ লক্ষ টাকা সঞ্চয় কল্যান অনুদান প্রদান করা হয়েছে। জেলায় সুবিধা ভোগীদের জন্য ঋণ তহবিল বাবদ ২৯৭.৫৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত জেলায় সুবিধা বোগীদের ২০৪টি সমিতির ৫০৬২ জন সুবিধাভোগীকে ১০৯.৭৯ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় ১২৯৬ জন সুবিধা ভোগীকে আয়বন্ধনমূলক কাজে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের নির্দেশনা মোতাবেক জেলার ৫টি উপজেলায় মোট ১২৪৯১টি পরিবারকে দারিদ্রমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রকল্পের কাজ চালমান রয়েছে।  ২০১৩ সালে প্রকল্পের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পর, ২য় পর্যায়ে জুন’২০১৬ পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে জেলার সকল ইউনিয়নে সকল ওয়ার্ডে  কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

মুল কর্মসূচি

দ্বিস্তর বিশিষ্ট সমবায় পদ্ধতিতে গ্রামে প্রাথমিক এবং উপজেলায় কেন্দ্রীয় কৃষক সমবায় সমিতি গঠন করে বিশেষত কৃষক, মহিলকা ও দরিদ্রদের সংগঠিত করে পুজিঁ গঠন, প্রশিক্ষন প্রদান, আধূনিক চাষাবাদ প্রচলন ও কৃষি ও অন্যান্য অকৃষি কাজে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলার ৫টি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির কৃষক সমবায়ীদের ফসলী (ব্যাঙক ঋণ), আবর্তক ঋণ কর্মসূচি এবং সেচযন্ত্র ঋণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে যেখানে ঘূর্নয়মান পদ্ধতিতে বরাদ্দকৃত ঋণ ব্যবহার করা হয়। এ পর্যন্ত সর্বমোট শষ্য ঋণ খাতে ১৬১৫.৭৬ লক্ষ টাকা, সেচযন্ত্র ঋণ কাতে ২৯৮.৬২লক্ষ টাকা, আবর্তক ঋণ খাতে ১৪৭৮.৩৬ লক্ষ টাকা, নিজস্বেঋণ তহবিল খাতে ৩৬.৭০ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরন করা হয়েছে। ফসলী (ব্যাংক ঋণ), আবর্তক ঋণ কর্মসূচি ও সেচযন্ত্র ঋণ কর্মসূচি ও নিজস্ব ঋণ তহবিল কাতে ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার যথাক্রমে ৯৯%,৯৯% ও ১০০% এবং পূজিঁ গঠনের পরিমান সর্বমোট ১৫৬.২৫ লক্ষ টাকা। জেলার ৫টি উপজেলায় সর্বমোট ১৬টি গভীর নলকুপ, ৯৩৭টি অগভীর নলকুপ, ২৮টি শক্তিচালিত পাম্প ঋণের মাকধ্যমে কৃষক সমবায়ীদের মধ্যে বিতনে করা হয়েছে।

মহিলা উন্নয়ন অনুবিভাগ(মউ)

গ্রামীন মহিলকাদের সামাজিক ক্ষমতায়ন, আর্থিক ক্ষমতা বৃদ্ধি, সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির অধীনে প্রাথমিক সমবায় সমিতি গঠন করে ইউসিসিএ’তে সদস্য পদ প্রদানের মাধ্যমে সংগঠিত করা হয়েছে। এখানে মহিলিকাদের নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষন এবং ক্ষ্রদ্র ঋণ প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই বিভাগের পুজিঁ গঠকনের পরিমান ৪৮.৬৫ লক্ষ টাকা এবং ক্রমপুহ্জিত ঋণ আদায়ের হার ৯৯%। সর্বমোট জেলায় ক্রমবর্ধিত ঋণ বিতরনের পরিমান ১২৩৭.৩২ লক্ষ টাকা।

পল্লী প্রগতি প্রকল্প

জেলায় সকল উপজেলায় একটি মাত্র ইউনিয়নকে এই প্রকল্পের আওতায় নেয়া হয়েছে। ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে অনানুষ্ঠানিক দলে সংগঠিত করে বিভিন্ন প্রকার আয়বর্ধন মূলক খাতে ঋণ প্রদান ও পুজিঁ গঠন করা হয়েছে বর্তমানে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুজিঁ গঠনের পরিমান ২০.৬৩ লক্ষ টাকা এবং ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার ৯৪%। ক্রমপুঞ্জিত ঋণ বিতরনের পরিমান ৯২০.১৭ লক্ষ টাকা।

সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি (সদাবিক)

জেলার সকলু উপজেলার গ্রামীন দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে অনানুষ্ঠানিক দলে সংগঠিত করে বিভিন্ন প্রকার আয় বর্ধন মূলক খাতে ঋণ প্রদান ও পুজিঁ গঠন এই প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়। এখানে বর্তমানে সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুজিঁ গঠনের ৪৬.৮৭ লক্ষ টাকা এবং ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার  ৯৭%।ক্রমপুঞ্জিত ঋণ বিতরনের পরিমান ১৩৬৪.৪৮ লক্ষ টাকা। বরাদ্দকৃত ঋণের অর্থ ঘুর্ণায়মান পদ্ধতিতে ব্যবহার হচ্ছে।

পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প(পজীপ)

জেলার সকল উপজেলায় দ্বিস্তর বিশিষ্ট সমবায় পদ্ধতিতে শুধুমাত্র দারিদ্র জনগষ্ঠিকে গ্রামে প্রাথমিক এবং উপজেলায় বিত্তহীন কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি গঠনের মাধ্যমে সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ প্রদান, পুজিঁ গঠন ও বিভিন্ন আয় বর্ধনমুলক কর্মকান্ডে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ কার্যক্রমে মোট পুজিঁ গঠনের পরিমান ২০৪.৩৪ লক্ষ টাকা এবং ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার ৯৬%। ক্রমপুঞ্জিত ঋুণ বিতরনের পরিমান ৮৬৬৫.৫৯ লক্ষ টাকা।

অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ঋণ কর্মসুচি

জেলার সকল উপজেলায় এ কর্মসুচি মাধ্যমে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের বিভিন্ন প্রকার আয় বর্ধনমূলক খাতে যুব উন্নয়ন দপ্তর কর্তৃক প্রশিক্ষন প্রদান এবং প্রশিক্ষন শেষে প্রকল্প থেকে ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচির সর্বমোট ঋণ বিতরনের পািরমান ৬০.৭৩ লক্ষ টাকা, ঋণ আদায়ের হার ৭১%।

পিআরডিপি-২ প্রকল্প

ইউনিয়ন পরিষদের সাথে গ্রামের সংযোগ সাধন করে গ্রামীন জনগনের অঙশ গ্রহনমুলক অংশীরিত্বের মাধ্যমে তাদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন এই প্রকল্পের উদ্বেদশ্য।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাংগা ও গোবরাতলা ইউনিয়নে প্রকল্পটি চলমান রয়েছে।

আদর্শ গ্রাম প্রকল্প-২

জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলায় মোট ৮টি আদর্শ গ্রাম প্রকল্পের আওতায় নেওয়া হয়েছে। এ সব আদর্শ গ্রামে বসবাসকারী দরিদ্র মানুষকে অনানুষ্ঠানিক দলে ঐক্যবদ্ধ করে প্রশিক্ষণ প্রদান ও বিভিন্ন আয়বর্ধনমুলক কর্মকান্ডে সহায়তা প্রদানই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এপ্রকল্পের ঋণ আদায়ের হার ৯৯%। ক্রমপুহ্জিত ঋণ বিতরনের পরিমান ৩৭.২৫ লক্ষ টাকা।